মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Situs Togel yang Menggemparkan: Prediksi yang Membawa Anda ke Kemenangan Tak Terduga! ডোমারে ৭ মাসের অন্তস্বতা স্কুলছাত্রী ধর্ষন যুবক গ্রেফতার। জলঢাকায় প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্গীরা। পাঁচবিবি ছমিরণনেছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামেই মডেল ।। গাজীপুরে আজকের দর্পণ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ডোমারে উপজেলা পরিষদ হলরুমে চেক বিতরণ। টঙ্গী পূর্ব থানার বিশেষ অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ সহ গ্রেফতার ১ জলঢাকায় কাঁচাবাজার নিয়ন্ত্রণে ইউএনও’র মনিটরিং ৪ব্যবসায়ীর ৮০হাজার টাকা জরিমানা। গাইবান্ধায় অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে পালালেন গণমাধ্যম কর্মী গাছা থানার বিশেষ অভিযানে ৭৮ পিছ ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। গাজীপুরে মাদ্রাসা শিক্ষক কতৃক ৯ম শ্রেণীর ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে  ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক আটক- অভিযোগ তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ গাউক চেয়ারম্যান আজমত উল্লাকে গাজীপুর জেলা তরুণ সংঘের পক্ষ থেকে গণসংর্বধনা দেওয়া হয়েছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করা হবে জামালপুর সদর উপজেলা পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার শফিকুর রেজা বিশ্বাস সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌর নির্বাচনে প্রার্থীদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সন্দ্বীপে মাধ্যমিক পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন মাষ্টার দেলোয়ার হোসেন ভাঙ্গায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন চাঁদাবাজীতে অতিষ্ঠ সন্দ্বীপ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের জেলেরা হাফুস’র ব্যবস্থাপনায় করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন বিটিআরসি’র হ্যাম রেডিও লাইসেন্স প্রাপ্তি পরীক্ষায় দিদারুল ইকবাল উত্তীর্ণ হওয়ায় চট্টগ্রামে সংবর্ধনা
বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন
https://www.facebook.com/TrustFashionbdpage?mibextid=ZbWKwL
google.com, pub-4295537314387688, DIRECT, f08c47fec0942fa0
google.com, pub-4295537314387688, DIRECT, f08c47fec0942fa0

নরসিংদীর পলাশে স্কুলের জমি দখল করে মন্দির স্থাপন

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১, ৮.৩৫ অপরাহ্ণ
  • ১৭৪ জন দেখেছে

 মোস্তাক আহমেদ ব্যুরোচীফ নরসিংদী

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় স্কুলের জমি অবৈধভাবে দখল করে ২টি মন্দির স্থাপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পলাশ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও পূর্ব পলাশ দড়ি-হাওলা পাড়া (দেবালয়ের) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখল করে মন্দির স্থাপন করা হয়।

এ ব্যাপারে সরজমিনে তদন্তে গেলে বেরিয়ে আসে পলাশ বাজার হাই স্কুলের বিপুল পরিমাণ জমি দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে সর্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির। এ ব্যাপারে হাই স্কুলের সাবেক সভাপতি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম নরুল ইসলাম চেয়ারম্যানের বড় ছেলে মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, আমি সভাপতি থাকাকালীন সময়ে মন্দিরের পাশে স্কুলের পূর্ব পাশের জমিতে দেয়াল ও একটি গেট স্থাপন করেছিলাম।

বর্তমানে এগুলো ভেঙ্গে ফেলে দিয়ে মন্দির স্থাপন করছে। স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক কারুজ্জামান, সিনিয়র শিক্ষক কামাল হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক মাহফুজ স্যার জানান, স্কুল বন্ধ থাকাকালীন সময়ে আমাদেরকে না জানিয়ে মন্দির কমিটির লোকজন দেয়াল ও গেট ভেঙ্গে ফেলে স্কুলের জমি অবৈধভাবে দখল করে মন্দির স্থাপন করছে। স্কুলের ভাঙ্গা গেটটি এখন কোথায় জানি না। মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক শ্রী বাবুল কুমার সাহা বলেন, আমাদের এই মন্দিরের কারো দেয়া কোনো দানপত্র দলিল নেই। তবে আমাদের পূর্ব পুরুষেরা মৌখিকভাবে মন্দিরের নামে দান করে গেছেন। দানকৃতরা সবাই এখন মৃত। কেউই জীবিত নেই। আমাদের কোনো ওয়ারিশরা এখনও কোনো দানপত্র দলিল দেন নাই। বর্তমানে যে মন্দির নির্মাণ করা হচ্ছে আগের সরকার চার লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন। বর্তমানে আরও দশ লক্ষ টাকা অনুদান এসেছে যা দিয়ে মন্দিরের কাজ চলমান।

স্কুল কমিটির সাবেক সদস্য কিরন শিকদার, মনির হোসেন, আওয়ামী লীগের নেতা মনির, পলাশ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্কুল কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল আলী ভূইয়াসহ অনেকেই বলেন, মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক শ্রী বাবুল কুমার সাহার বক্তব্য সত্য নয়। বাবুল সাহা নিজেই স্কুলের জমিতে ৮টি রুম করে স্কুলের জমি দখল করে রেখছে। ছোট পরিসরে মন্দিরটি আরও ভিতরে ছিল। সম্প্রসারণ করতে করতে মন্দিরটি এখন সম্পূর্ণটাই স্কুলের জমিতে। বাবুল সাহার পূর্ব পুরুষের কারো সম্পত্তি নয় বিদধায় তারা মন্দিরের নামে দানপত্র করতে পারেন নাই। স্কুলের পাশের বাড়ির কালিপদ দাস খোকা জানান, এখানে মন্দিরের কোনো জমি নেই।

স্কুলের জমিতে সব হিন্দুরা মিলে মন্দির বানিয়ে রেখেছে। অনেকেই প্রতিবাদ করে কিন্তু কোনো লাভ হয় নাই। এ ব্যাপারে এলাকার বহু হিন্দু-মুসলিম জানান, পেশি শক্তির জোরে স্কুলের জমিতেই মন্দির করা হয়েছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলামকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি অতি দুঃখের সাথে বলেন, স্কুলের জমি যে যেখান দিয়ে পারছে দখল করে নিয়ে যাচ্ছে দেখার কেউ নাই। স্কুলের শিক্ষকদের সাথে কোনো আলাপ আলোচনা-মিটিং না করে স্কুলের টাকায় নির্মিত গেট এবং দেয়াল ভেঙ্গে স্কুলের জমি অবৈধভাবে দখল করে মন্দির স্থাপন করছে।

এ ব্যাপারে আমি স্কুলের সভাপতি ডাঃ সমরেশ বাবুকে বিস্তারিত জানিয়েছি। পূর্ব পলাশ দড়িহাওলা পাড়া দেবালয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবৈধভাবে জমি দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে ৬৫ শতাংশ জমিতে চন্ডি রামাই ঠাকুরের মন্দির। এখানে এক সাথে পাশাপাশি আলাদা আলাদা পাঁচটি মন্দির স্থাপন করা হয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে দেবালয় সংস্কৃত কলেজ। এ ব্যাপারে সরজমিনে গেলে মন্দির ও কলেজের কেয়ারটেকার ভিপিন্দ্র ভৌমিক জানান, আমি শুধু জানি এখানে দুই-আড়াই শ বছরের একটি পুরাতন বট গাছ আছে যা সবাই জানে। মন্দিরের কোনো দলিলপত্র আছে কিনা আমার জানা নেই। বঙ্কিীম চন্দ ধর জানান, মন্দিরের নামে কোনো দলিল-কাগজপত্র নেই। এখানে একটি হাই স্কুল করা খুবই জরুরি। স্কুলের পাশের বাড়ি ফকির বাড়ির ফারুক খন্দকার বলেন, মূলত এখানে মন্দিরের কোনো জমিই নেই।

কৌশলে মন্দির বানিয়ে বহু জমি দখল করে রেখেছে। এখানে একটি হাই স্কুল করা খুবই জরুরি। উক্ত মন্দির স্থাপন করার কারণে হাই স্কুল করাটা কষ্টকর হয়ে দাঁড়াবে। পাশের বাড়ির কিবরিয়া ও এই ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বর ও কমিশনারসহ এলাকাবাসী জানান, মন্দির কমিটি কৌশল করে এখানে একটি সংস্কৃত কলেজ করেছেন মন্দির টিকিয়ে রাখার জন্য। মূলত এটি স্কুলের জমি। এখানে একটি হাই স্কুল করা অতীব জরুরি।

এ এলাকার দুই-তিন কিলোমিটারের ভিতরে কোনো হাই স্কুল নেই। এ এলাকার ছাত্রছাত্রীদের বহুদূর হেঁটে স্কুলে যেতে হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষকা প্রমিলা দেবি নাথ জানান, মন্দিরের নামে কোনো দলিল কিংবা পরচা আমার জানা মতে নেই। স্কুলের নামে আরএস পরচায় ২৪৪ শতাংশ জমি আছে। স্কুলের সভাপতি সঞ্চিত সরকার জানান, স্কুলের নামে কিছু জমির দলিল আছে, আর বাকি জমি আরএস পরচায় আছে স্কুলের নামে। মন্দিরের কোনো দলিলপত্র নাই। ৬৫ শতাংশ জমি মন্দিরের দখলে আছে। মন্দির কমিটির সভাপতি দীনেশ মাস্টার জানান, এখানে মোট স্কুল ও মন্দির মিলিয়ে স্কুলের নামে ২৪৪ শতাংশ জমি এসএ পরচায় আছে। বর্তমানে স্কুল ও মন্দিরের পুরো জমিটাই শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের নামে আছে।

এই জমি সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে নিয়ে নেয়। তবে মন্দিরের কোনো দলিল নেই, দাতাও নেই। মন্দিরের দখলে ৬৫ শতাংশ জমি রায়েছে। তিনি আরও জানান, এক সময় বহু আগে ঢাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক সৈয়দ মাহতাব উদ্দীন এসে উক্ত জমি তার পিতা সৈয়দ মেজবাহ উদ্দীন আহমেদের বলে দাবি করেন। পরবর্তীতে তা টেকে নাই। এই জন্য এলাকার অনেকে বলে থাকেন এই স্কুল ও মন্দিরের জমি মেজবাহ উদ্দীন সাহেবের স্কুলের নামে দানকৃত জমি।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক কার্তিক নন্দী জানান, আমি ৩ বছর আগে মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক হয়েছি। আমার জানা মতে মন্দিরের কোনো কাগজপত্র নাই। ঘোড়াশাল পৌরসভা ভূমি অফিসের নায়েব মোঃ আহসান হাবিব জানান, দড়িহাওলা পাড়া পূর্ব পলাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (দেবালয়)-এর জমির পরিমাণ ২৪৪ শতাংশ আরএস রেকর্ডে নথিভুক্ত। মন্দিরের নামে কোনো রেকর্ড বা কাগজপত্র নেই। মন্দিরটি সম্পূর্ণ রূপে স্কুলের জমিতে অবস্থিত।

Comments

comments

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
Close
© 2018-2022, daynikekusherbani.com- All rights reserved.অত্র সাইটের কোন - নিউজ , ভিডিও ,অডিও , অনুমতি ছাড়া কপি/ অন্য কোথাও ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।
Design by Raytahost.com
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com