শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে পূ’র্ব শত্রুতার জেরে সাংবাদিকের গাছপালা কেটে ক্ষতি’সাধন  গাজীপুরে ম’দ পানে দুই সন্তানের জননীর মৃ’ত্যু  পারিবারিক অনুষ্ঠানে ম‘দ্য’পা’নে অ’সু’স্থ হয়ে প্রা’ণ গে’ল নারীর কুষ্টিয়ায় সাংবা’দিক রিজু’র উপ’র সন্ত্রা’সী হাম’লা উ’ন্নত চিকিৎসা’র জন্য ঢাকায় প্রে’রন সামাজিক সিদ্ধান্ত ভ’ঙ্গ করে মাঠের বাহিরে প’শু জ’বা’ই, ইমাম বিতর্ক সামাজিক সিদ্ধা’ন্ত ভ’ঙ্গ করে মাঠের বাহিরে প’শু জবা’ই: ইমাম বিত’র্ক একে একে সবার থলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে-মির্জা ফখরুল  বেনাপোলে অন’লাইন প্রতা’রক চ’ক্রে’র ২ সদস্য আটক ঈদের দিন পেরিয়ে ভোরের আলো ফোটার আগেই গাজায় হামলা শুরু করেছে ইসরাইলি বাহিনী গাজীপুরে নারী পোশাক শ্র’মিক হত্যা’র ঘটনা’য় দুজন গ্রে’প্তার গত ২০ বছরে সারা দেশে কারা ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট রাত পোহালেই বাঁশখালী-সাতকানিয়া সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষের ঈদ উদযাপন সড়কে আইন অমান্য’কারিদের বিরু’দ্ধে ব্য’বস্থা নেয়া হবে গাজীপু’রে পুলিশ’প্রধান “মামুন” চট্টগ্রাম নগরীতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা দিয়েছে অসহায় নারী পুরুষ ও শিশু কল্যাণ ফাউন্ডেশন ঝুঁ’কিপূর্ণ ও অনিরা’পদ যাত্রায় সামিল না হওয়ার আহ্বানঃ গাজীপুরে হাই’ওয়ে পুলিশ’প্রধান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছাপত্র পাঠিয়েছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বিএনপির চারটি, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ও ছাত্রদলের ঢাকা মহানগরের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা কুয়েতে শ্রমিক আবাসন ভবনে আগুন, নিহত ৪৯ : নিহতরা সবাই ভারতীয় নাগরিক গাজীপুরে বনে’র ১২ হাজার একর জমি বে’দখল গড়ে উঠে’ছে প্র’তিষ্ঠানে’র কারখা’না দৃ’ষ্টিনন্দন রি’সোর্ট বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ শিশুর মৃত্যু

সাগর কন্যা, স্বর্গ দ্বীপ, যার নাম সন্দ্বীপ : আব্দুর রব নিশান

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৩, ১.০৭ অপরাহ্ণ
  • ১৫২ জন দেখেছে
জানের সন্দ্বীপ, প্রাণের সন্দ্বীপ, আমার সন্দ্বীপ, আমাদের সন্দ্বীপ, সোনালী সন্দ্বীপ, আলোকিত সন্দ্বীপ, আজকের সন্দ্বীপ, আঁই সন্দ্বীপ্পা এমন অনেক শব্দ দেশের আনাছে কানাছে এমন কি বিশ্বের প্রায় বেশী ভাগ মানুষ এইসব শব্দের সাথে পরিচিত, শিকড় থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হাজারো লাখ সন্দ্বীপিয়নরা চাকরি সূত্র ধরে, আধুনিক জীবন যাপন ও উচ্চ শিক্ষার আশায় দ্বীপের শিকড় ছেড়ে পারি জমিয়েছেন চট্রগ্রাম শহর আর দেশের আনাছে কানাছে বিভিন্ন জায়গায় এমনকি দেশের বাহিরে বিশ্বের প্রায় বেশী ভাগ দেশেই রয়েছেন সন্দ্বীপিয়ানরা তাইতো নিজের জন্মভূমিকে অন্যের সামনে পরিচয়ে বেশী ভাগ এই সব শব্দ ব্যবহার করেন, তাই শব্দ গুলো প্রচলিত হয়ে আসছে বহু কাল থেকে..।
আসুন জেনে নিই তার বিস্তারিত:-
চট্টগ্রাম উপকূল ও সন্দ্বীপের মাঝখানে সন্দ্বীপ চ্যানেল অবস্থিত। চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে নদীপথে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে এ উপজেলার অবস্থান। সন্দ্বীপ থেকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপকূলের দূরত্ব প্রায় দশ মাইল। নোয়াখালীর মূল ভূখন্ড সন্দ্বীপ থেকে প্রায় ১২ মাইল পশ্চিমে অবস্থিত। সন্দ্বীপের প্রায় বিশ মাইল পশ্চিমে হাতিয়া দ্বীপের অবস্থান।
সন্দ্বীপের সীমানা হচ্ছে পূর্বে সন্দ্বীপ চ্যানেল ও চ্যানেলের পূর্ব পাড়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা ও মীরসরাই উপজেলা, উত্তরে বামনী নদী, পশ্চিমে মেঘনা নদী ও তারও পশ্চিমে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। সন্দ্বীপের লবণ শিল্প, জাহাজ নির্মাণ কারখানা ও বস্ত্র শিল্প পৃথিবীখ্যাত ছিল।
উপমহাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের ভ্রমণকারীরা এই অঞ্চলে এসে তাদের জাহাজ নোঙ্গর করতেন এবং সহজ বাণিজ্য ব্যবস্থা এবং পরিবহন সুবিধা থাকায় এই অঞ্চলে ব্যবসা এবং বসতি স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করতেন।
১৭৭৬ সালের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রতি বছর সন্দ্বীপে উৎপাদিত প্রায় এক লক্ষ ত্রিশ হাজার মণ লবণ, তিনশ জাহাজে করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হত। এছাড়া ভ্রমণ ও ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে ফরাসি ও ওলোন্দাজ পরিব্রাজকরা প্রায়ই সন্দ্বীপে আগমন করতেন।
এই দ্বীপের রূপে মুগ্ধ হয়ে যুগে যুগে অনেক কবি, সাহিত্যিক, ঐতিহাসিক, পর্যটক এসেছেন এখানে। ১৩৪৫ খ্রিষ্টাব্দে ঐতিহাসিক পর্যটক ইবনে বতুতা সন্দ্বীপে আসেন।
১৫৬৫ সালে ডেনিশ পর্যটক সিজার ফ্রেডরিক সন্দ্বীপে আসেন এবং এর বহু প্রাচীন নিদর্শনের বর্ণনা লিপিবদ্ধ করেন।
১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের ২৮ জানুয়ারী মোজাফ্‌ফর আহমেদের সাথে সন্দ্বীপে আসেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
সন্দ্বীপ ভ্রমণের সময়কার স্মৃতির পটভূমিকাতেই কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর মধুবালা গীতিনাট্য রচনা করেন। সন্দ্বীপে বৃক্ষের ছায়াতলে বসে নজরুল তাঁর চক্রবাক কাব্যগ্রন্থের অনেকগুলো কবিতা রচনা করেন।
১৯৭১ সালে আবুল কাসেম সন্দ্বীপী ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনটি চট্রগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র শেখ মুজিবের ভাষন যে জিয়াউর রহমান দিয়েছেন তা উল্লেখ করেন সবার সামনে।
সন্দ্বীপ ১৯৫৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত সন্দ্বীপ নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত থাকলেও পরবর্তিতে একে চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
১৯৮৪ সালে সন্দ্বীপ থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়। সন্দ্বীপে একটি পৌরসভা রয়েছে, যা ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত।এ উপজেলায় বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন রয়েছে। সম্পূর্ণ সন্দ্বীপ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম সন্দ্বীপ থানার আওতাধীন।
সন্দ্বীপ নামকরনের পিছনের গল্প:-
মেঘনার তীরে এই সুন্দর মায়াবী দ্বীপ প্রথমে ছিল জনমানুষহীন তাই সর্ব প্রথম এর নাম ছিল শূর্ণদ্বীপ।কেউ বলেন চন্দ্রদেবতা সোমের নামের অনুসারে দ্বীপের নাম হয়েছে সোম দ্বীপ। কেউবা বলেন দ্বীপের মাটি উর্বরতা বিবেচনা করে আদর করে নাম দেওয়া হয়েছিল স্বর্ণদ্বীপ…!
অন্যদিকে এই কথা তুমুল প্রচলিত পশ্চাত্য ইউরোপীয় জাতিরা বাংলাদেশে আশার সময় দূর থেকে বালির স্তূব দেখে আনমনে উচ্চারণ করেছিল আহা ওই দূরে জলের বুকে কে এই বালি দিয়ে আবৃত শ্যামা সুন্দরী..?
এর নাম দিলাম স্যান্ড-হীপ..! ভাষার বির্বতন পেরিয়ে যা আজকের সন্দ্বীপ। প্রকৃতি নীলা ভূমি কত সুন্দর তোমার রূপ।
দ্বীপের মায়াভরা ভালবাসা নিয়ে যতদূর যায় বারবার সন্দ্বীপিয়নরা ফিরে পায়, স্মৃতিময় শৈশব কালের স্মৃতিবিজড়িত সোনালীদিনগুলো তাই তো সুযোগ পেলেই কোলাহল শহরের মায়া ত্যাগকরে শিকরের টানে ছুটে আসেন কাঁদামাটির বন্ধনে আবদ্ধ নিজ জন্মভূমি সোনালী দ্বীপে।আর ভোরের শিশির ভেজা রাতে মুক্তমনা পাঁখির কন্ঠস্বরে শুনেন মধুময় গান।
এই ভূমিতে জন্মগ্রহণ করেন কতইনা গুরুজন মহামানব।আর এখানে উত্তাল জোয়ার ভাটার সাথে চলছে জীবনযাত্রার মান। নয়া মাঝির কন্ঠে ভাঁটিয়ালি গান।দ্বীপ তাদের স্বপ্নের পৃথিবী নিষ্টুর উত্তল নদী কখনো ভেঙে নিয়ে যা আমার মায়ের ভূমি।আমার অন্তময় মেঠোপথ চলা খুজি তোমায় রুপসি দ্বীপ কন্যা তুমি সবসময় সন্দ্বীপিদের হৃদয়ে দৃশ্যমান।
বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে সন্দ্বীপ ভ্রমনের টিপস:-
বঙ্গোপসাগরের মোহনা এ নদীর উপর দিয়ে যেতে হবে, ভয় চিন্তা হচ্ছে এত বড় নদী আর সাগরের কথা শুনে । ঝেড়ে ফেলুন আপনার সকল চিন্তা । ভ্রমণপিপাসু মানুষের জন্য এখনি সঠিক সময় দ্বীপ ভ্রমণ করে আসার । আপনার ভ্রমণের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে এবার না হয় সন্দ্বীপ থেকে ঘুরে আসুন ।
এত্ত এত্ত বড় নদী !! সাহস হচ্ছে না !!
কোন ব্যাপার না । ভ্রমণ করতে গেলে একটু সাহস লাগে ভয় থাকলে ভ্রমণের মজাই থাকে না । আপনার জন্য সুখবর হল শীতের এই মৌসুমে বেশী সময় নিয়ে নদীতে থাকতে হবে না । বড়জোর মাত্র ত্রিশ মিনিট সময় থাকতে হবে। এই সময়ে নদী অনেক কোমল । সাতার জানলে তো সাঁতরাতে ইচ্ছা করবে ।
এখন কি একটু সাহস হচ্ছে?
তাহলে আর দেরী কেন দলবেঁধে অথবা দুইজন মিলে যেভাবেই সুবিধে বেড়িয়ে পড়ুন । ঘুরে আসুন সন্দ্বীপ থেকে আর চমকে দিন সবাইকে। কিভাবে যাবেন ?
খুবসহজে হেলিকপ্টার করে যেতে পারেন । তবে এটা ব্যায়বহুল। সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাহিরে।
এছাড়া নৌ পথকে বেঁচে নিতে হবে । নৌ পথের ভ্রমণের আনন্দ অন্যরকম, অন্যান্য ভ্রমণের চেয়ে একেবারেই আলাদা । নৌ পথের অন্যতম মাধ্যম হল–স্টীমার, লঞ্চ,স্পীডবোট।
ষ্টীমার/জাহাজে ভ্রমণ-
এই ভ্রমনের মজা অনেক । সময় সাপেক্ষ আনন্দ আছে বটে । এজন্য আপনাকে যেতে হবে সদরঘাট । সপ্তাহে তিন দিন এই সার্ভিস থাকে সকাল ৯ টায় সদরঘাট ছেড়ে যায় সন্দ্বীপের উদ্দেশ্যে । বর্তমান সময়ে এই ভ্রমণে একটু সমস্যা হবে, বিরক্ত বোধ করতে পারেন । তার অন্যতম কারন হল সন্দ্বীপের পশ্চিমে জেগে উঠা চর । যার কারনে উঠা নামাতে দীর্ঘ সময় এবং কষ্ট পোহাতে হবে ।(আপাতত এই সার্ভিসটি বন্ধ আছে)।
লঞ্চ-
আমরা দ্বীপের মানুষেরা বলে থাকি ট্রলার । কাঠের তৈরি অনেকটা নৌকার মতই । এতে করে যেতে পারেন । এজন্য আপনাকে যেতে হবে কুমিরা সন্দ্বীপ ঘাট । এখানে যাত্রী বহনযোগ্য লঞ্চ আছে , সাথে মাল বোঝায় করে এমন লঞ্চে করে যেতে পারেন । এটাতে সময় বাচবে খরচের পরিমাণ ও কম । উঠা নামায় খানিকটা সমস্যা হবে। এ যাত্রায় আনন্দ আছে তবে অতিরিক্ত যাত্রী , মাল বোঝায় থাকার কারন সেই আনন্দ ফিকে হতে পারে ।
স্পীডবোট –
দ্বীপে আসা যাওয়ার জন্য বর্তমান সময়ের অন্যতম বাহন । দ্রুতগতি সম্পন্ন এই বাহন মাত্র কয়েক মিনিটে আপনাকে দ্বীপে পৌঁছে দিবে । এক্ষেত্রে গুনতে হবে ৩০০ টাকা। এ ভ্রমনে আনন্দ আছে সময়ও বাঁচবে। উঠা নামায় সমস্যা কাদা মাখামাখি করতে হবে না। একাধিক সঙ্গী হলে একটা বোট ভাড়া করে যেতে পারেন।একজন বা দুইজন হলে নরমালি যাওয়ায় ভালো। এজন্য আপনাকে যেতে হবে কুমিরা সন্দ্বীপ ঘাট। আরও দুই একটা ঘাট রয়েছে তবে সন্দ্বীপ শহরে যেতে এটাই সহজ পথ এটাই বেস্ট।
কুমিরা যাবেন কিভাবে ?
একেবারেই সহজ দেশের যেই প্রান্তে থাকুন না কেন আপনাকে চট্টগ্রাম আসতে হবে। (সড়ক যোগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম আসার পথে কুমিরা হয়ে আসতে হবে, সেক্ষেত্রে চাইলে সরাসরি কুমিরাতেই নামতে পারবেন)।
চট্টগ্রাম শহরের যে কোন জায়গা থেকে সরাসরি চলে আসতে পারেন কুমিরা। সহজ এবং সময় বাচাতে ট্যাক্সি ভাড়া করতে পারেন।
সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা খরচ পড়বে। এই তিনটি মাধ্যমের যেকোন একটি আপনি বেঁছে নিতে পারেন। আমি বলব এই সময়ে ভ্রমণ সুখকর করতে স্পীড বোট টাই নিরাপদ এবং আনন্দদায়ক। ধরে নেওয়া যাক আপনি সন্দ্বীপ ঘাটে পৌঁছে গেছেন।
তাহলে কি করবেন?
প্রথমে ঘাট থেকে সন্দ্বীপ টাউন কমপ্লেক্স আসতে হবে। ট্যাক্সি ভাড়া করে আসা বেটার ১৫০ টাকা খরচ পড়বে। এখানে স্বল্পমূল্যে থাকার জন্য গেস্ট হাউজ রয়েছে। খাওয়ার জন্য ভালো মানের কিছু রেস্টুরেন্ট পাবেন হাতের কাছেই।
তাবু করে কি থাকা যাবে?
আবার জিগায়! অবশ্যই থাকতে পারবেন। সেটা অনেক আনন্দের/উপভোগ্য হবে। তাহলে কোন দেরী নয়? কমপ্লেক্স থেকে সোজা সরাসরি চলে যান দ্বীপের পশ্চিমে একেবারেই নদীর কিনার ঘেঁষে।
এক্ষেত্রে স্থানীয়দের সাহায্য নিতে পারেন।
উপযুক্ত জায়গা নির্বাচন করে তাবু করে নিন। রাতের মিটিমিটি আলো, খোলা আকাশের নিচে নদীর কলকল ধ্বনি ঘন কুয়াশায় কয়েকটি রাত পার করে দিতে পারবেন একেবারেই অনায়াসে।

Comments

comments

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
Close
© 2018-2022, daynikekusherbani.com- All rights reserved.অত্র সাইটের কোন - নিউজ , ভিডিও ,অডিও , অনুমতি ছাড়া কপি/ অন্য কোথাও ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।
Design by Raytahost.com
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com